|
২০০৮ - ২০০৯ অর্থ বছরের প্রাক বাজেট আলোচনা |
| |
আগামী ২০০৮ - ২০০৯ অর্থ বছরের বাজেটকে কার্যকর ও সাধানর জনগনের মতামতকে অন্তর ভুক্ত করার জন্য এন টিভি এর নিয়মিত অয়োজন "আজকের সকাল" এ প্রাক বাজেট আলোচনায় ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ এর বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য ২৬ - ৩০ মে ২০০৮ পর্যন্ত বাজেট এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও মতামত প্রদান করে ।
প্রাক বাজেট এর ধারাবাহিক আলোচনা সমুহ পিডিএফ এ ডাউনলোড করুর :
অংশগ্রহনকারী |
বিষয় |
ডাউনলোড |
|
তোফায়েল আহম্মেদ, সুশাসন বিশেষজ্ঞ
উত্পাদনশীল কৃষি পণ্যের উপর সর্বাধিক ভর্তূকী এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী বৃদ্ধি করা উচিত |
আলোচনা
২৬ মে ২০০৮ |
| |

|
ফারুক আহম্মেদ , প্রেসিডেন্ট মিডিয়া ফাউন্ডেশন এন্ড ট্রেড
খাদ্যে স্বয়ংসম্পুন্নতা অর্জনে কৃষি ভূমি ব্যবহার নীতিমালা তৈরী ও Agro processing plant স্থাপন করা উচিত৷ |
|
|
|
বেগম শামসুন নাহার, জেন্ডার বিশেষজ্ঞ
জনসেবা খাতে বেশী গুরুত্বদিয়ে স্থানীয় পর্যায়ের সরকারী হাসপাতাল সমূহ থেকে সেবার মান নিশ্চিত করতে হবে |
আলোচনা
২৮ মে ২০০৮ |
| |
 |
শারমিন রেশমিন , পরিবেশ উন্নয়ন কর্মী
দুর্যোগ মোকাবেলায় এবারের বাজেটে উপকূলীয় উন্নয়ন নীতিমালা বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত বরাদ্ধ চাই৷ |
আলোচনা
২৯ মে ২০০৮ |
| |
 |
মোস্তফা কামাল আকন্দ ,
পরিবেশ উন্নয়ন কর্মী
বৈদেশিক ঋণমুখী বাজেট না হয়ে রাজস্ব নির্ভর বাজেট চাই ৷ |
আলোচনা
৩০ মে ২০০৮ |
|
২-১৫ ডিসেম্বর ২০০৭ ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্টেয় বালি জলবায়ু সম্মেলন পরবর্তী
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের সংবাদ সম্মেলন
|
জলবায়ুর বানিজ্যিকীকরণ ও উপেক্ষিত স্বল্পোন্নত দেশের ভবিষ্যত |

১৮ ডিসেম্বর ২০০৭ বেলা ১১ টায়
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটি হলরুমে গত ২-১৫ ডিসেম্বর ২০০৭ ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলন পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে ৷ ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেওয়া বালাদেশী সিভিল সোসাইটি পরে বিভিন্ন প্রতিনিধি এ সংবাদ সম্মেলনে তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, বালি সম্মেলনের মাধ্যমে শিল্পোন্নত রাষ্ট্রসমূহ জলবায়ুকে বানিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশের ভবিষ্যত্কে উপেক্ষিত করেছে ৷ সম্মেলনে যোগ দেওয়া বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিবৃন্দ জলবায়ূ পরিবর্তনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ রাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রেক্ষাপঠ তুলে ধরতে পারেনি এবং এ সম্মেলনে জোরালো ভূমিকা রাখার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনে ফলে ক্ষতিপূরণের কোন কমিটমেন্টও আদায় করতে পারেনি ৷
সম্মেলনে যাবার পূর্বক্ষনে কৃষি এবং পরিবেশ উপদেষ্টা সি.এস করিম সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেনযে, সম্মেলনে বাংলাদেশ কর্বন উদগিরনের সমাধান সহ এডাপটেশন ফান্ড এর জন্যে জোড়ালো ভূমিকা রাখবেন ৷ কিন্তু পুরো সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ভূমিকা ছিল হতাশাব্যঞ্জক; যেমন (ক) বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের নেতৃত্বে থাকা স্বত্ত্বেও রহস্যজনক ভাবে তা ১০ তারিখের পর থেকে মালদ্বীপের হাতে চলে যায় ৷ মাননীয় কৃষি ও পরিবেশ উপদেষ্টা সি এস করিম সাহেবের ১১ তারিখ হতে সম্মেলনে উপস্থিত ও বক্তব্য রাখার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি যাননি ৷ (খ) পুরো সম্মেলনের নেগোসিয়েসনে ২-১০ তারিখ পর্যন্ত পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের ভূমিকা থাকলেও ১১ তারিখ থেকে তা জাতিসংঘে আমাদের স্থায়ী প্রতিনিধি ইসমাত জাহানের নেতৃত্বে পরোরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের হাতে চলে যায় ৷ পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের সম্পর্কিত যারা আগে থেকে নেগোসিয়েসনে যুক্ত ছিলেন তারা ১১ তারিখে দেশে ফেরত চলে আসেন ৷ ১১ তারিখের পর যখন ঘোষনা চূড়ান্ত হচ্ছিল তখন তাদের প্রয়োজন ছিল বেশী ৷ ১১ তারিখের পর প্রতিনিধি দলে সরকারী উচ্চ পর্যায়ের কোন পরিবেশবিদ ছিলেন না ৷ (গ) Adaptation fund এর ব্যবস্থাপনায় GEF এবং বিশ্ব ব্যাংক এর ভূমিকা নিয়ে আফ্রিকার অনেক দেশ সমালোচনামূলক বক্তব্য রাখলেও বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ভূমিকা ছিল অনেকটাই নিশ্চুপ ৷
দেশের জনসাধারণ এ বিষয়গুলো জানার দাবি রাখে ৷ বাংলাদেশ একটি জোরালো ভূমিকা রাখার সুযোগ হারালো বৈকি৷ কর্বন উদগিরন কমানোর কথা বললেই যে আমরা সাহায্য থেকে বঞ্চিত হয়ে যাবো এমন কোন কথা নেই ৷ তাছাড়া কাউকে সমালোচনা না করেও কি আমরা আমাদের পাওনাটুকু পেয়েছি? পাইনি, যেমন: সিডরের পর প্রায় ১মাস অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশ তার নু্ন্যতম চাহিদার ২৫% সহায়তা পায়নি ৷ আমেরিকা এবারও বাংলাদেশকে মিলিনিয়াম চ্যালেঞ্জ একাউন্ট সহায়তা থেকে বঞ্চিত রেখেছে ৷ আই এম এফ এর পরামর্শে জনস্বার্থ বিরোধী সংস্কার করার পরও পিআরএস এর আওতায় শেষ কিস্তির টাকা পাওয়া যায়নি ৷ মূলতঃ ঐসকল পরিস্থিতি বাংলাদেশকে এটাই শিখিয়ে দেয় যে আমাদেরকে ন্যায্য অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হতে হবে এবং এজন্য আত্মর্নিভরশীল ও সম্মানজনক পথকে অবলম্বন করতে হবে ৷
বস্তুত বালি ঘোষণায় স্বল্পোন্নত দেশের স্বার্থকে উন্নত ও অগ্রসর উন্নয়নশীল দেশসমূহের কাছে জলাঞ্জলী দেয়া হয়েছে ৷ এ সম্মেলনের প্রাক্কালে কার্বন নি:সরণ হ্রাসে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি সবারই প্রত্যাশিত ছিল ৷ ইউরোপ ও IPCC প্রনেতাদেরও দাবী ছিল কার্বন উদগীরণ আগামী ২০২০ সালের মধ্যে ১৯৯০ এর মাত্রা হতে ২৫-৪০% (সর্বচ্চ ৫০ %) কমানো ৷ কিন্তু সম্মেলনের শুরু হতেই আমেরিকা কোন ধরনের পরিমাপ ভিত্তিক কমিটমেণ্ট করা থেকে বিরত থাকার জন্য যাবতীয় সব জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করে আসছিল ৷ আমেরিকার অন্যতম দাবী ছিল উন্নয়নশীল অগ্রসর দেশ যেমন, ভারত, চীন ও ব্রাজীলকে কার্বন নিঃসরনের বাধ্যতামূলক প্রতিশ্রুতির আওতায় আনতে হবে৷ জাপান ও কানাডা আমেরিকার পক্ষ ধরে গো ধরে বসে থাকে ৷ শেষ পর্যন্ত ইউরোপ যখন বলে বসে যে, তারা জানুয়ারী ২০০৮ এ যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইতে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেণ্ট বুশের 'বিশেষ জলবায়ু সম্মেলনে' যোগ দেবেনা, যদিনা আমেরিকা কোন কমিটমেণ্ট এ না আসে৷ তখন আমেরিকার প্রতিনিধিদল Early Deep Cut এ ধরণের কমিটমেন্ট এ রাজী হয়৷ অর্থাত্ এর ফলে আমেরিকাসহ দেশসমূহ সামনের দিনগুলোতে কার্বন উদগীরন কমাবে ৷ আগামী ২ বছরের মধ্যে তথা কোপেন হেগেন সম্মেলনের মধ্যে পরবর্তী চুক্তি চুড়ান্ত করবে৷ বালি ঘোষনায় উন্নত দেশ কতৃক কার্বন নিঃসরন রোধে পরিমানগত কোন কমিটমেন্ট না থাকায় এটা স্পষ্টতই প্রমাণিত হলো যে, উন্নত দেশ সমূহ তাদের ভোগ ও উন্নয়ন ধারণার সাথে আপোষ করতে নারাজ ৷ এর ফলে IPCC তথা বৈজ্ঞানীদের দেয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী পৃথিবীকে রা করার জন্য শিল্পায়ন পূর্ব ১৯৯০ পর্যায় থেকে পৃথিবীর উঞ্চতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর নীচে রাখার যে প্রত্যয় ছিল তা অনিশ্চিত রয়ে গেলো ৷
সংবাদ সম্মেলনে এ্যাকশন এইড বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি জনাব এ আর আমান Adaptation fund এ বাংলাদেশের জনসংখ্যার কথা বিবেচনায় রেখে মাথাপিছু ক্ষতিপূরণ বরাদ্ধ দেওয়া আহবান জানান এবং বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতির একটা Vulnerability Index করার কথাও বলেন ৷ পাশাপাশি এটাকে প্রতিবছর হালনাগাদ করার কথা বলেন৷ জনাব তানিম আহমেদ বলেন, যেহেতু উন্নয়নশীল বড় বড় দেশের সাথে আমাদের বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল সেজন্য Political Economy এর কথা বিবেচনায় রেখে আমাদেরকে আগে থেকেই দাবী-দাওয়া নিয়ে Negotiation করে নেয়া উচিত ৷ তিনি বলেন বালি সম্মেলনে বাংলাদেশের ক্ষতির প্রেক্ষাপঠ প্রতিদিন বলা উচিত ছিল কিন্তু কেউ কথা বলেননি ৷ যেকানে আজ আমাদেরকে হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে৷ দৈনিক ইনকিলাবের বিশিষ্ঠ সাংবাদিক জনাব সালাহউদ্দিন বাবলু বলেন, বলি সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান ইসমত জাহান এর সাথে আনুষ্ঠানিক কোন ব্রিফিং না দেওয়ার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন ৷ জলবায়ূ পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশে আগামীতে যারা পরিবেশগতভাবে উদ্ভাস্তু হবে তাদেরকে অন্যদেশে বসবাসের ব্যবস্থা করার জন্য দাবী জানান ৷
সংবাদ সম্মেলনে মূল রচনা উপস্থাপন করেন
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ এর সেক্রেটারী জেনারেল জনাব শামসুদ্দোহা এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন একই গ্রুপের আহবায়ক জনাব রেজাউল করিম চৌধুরী৷ অনুষ্টানে অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনাব ফখরুল ফেরদৌস, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী মিন্টু, মোস্তফা কামাল আকন্দ প্রমুখ।
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের (EJWG) এ অবস্থানপত্র, প্রেস রিলিজ জন্য ক্লিক করে ডাউনলোড করুর ।
অনলাইন মিডিয়া কভারেজ :
|
২৪ নভেম্বর ২০০৭ :ডিসেম্বরে জলবায়ু পরিবর্তনের উপর বালি সম্মেলনের পূর্বে আপনি সরব হোন |
| ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিতব্য জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ সম্মেলনকে সামনে রেখে সেমিনার
'জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও ক্ষতিপূরণ এবং বাংলাদেশের দেনা বাতল সহ দুই কোটি লোকের ক্ষতিপুরণ দিতে হবে' |

ইক্যুইটি এ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ (EJWG) ও কোস্ট ট্রাস্ট এবং উপকূলীয় অঞ্চলের ৩১টি বেসরকারী সংগঠনের উদ্যোগে গত ২৪ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেস কাবে 'জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও ক্ষতিপূরণ' শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় ৷ সেমিনার আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল আগামী ২-১৪ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত সম্মেলনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ওপর বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং ক্ষতিপূরণের দাবি সম্পর্কে গণসচেতনতা গড়ে তোলা ৷ বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ও জাতিসংঘের আইপিসিসি প্রতিবেদনের অন্যতম প্রণেতা জনাব ড. কাজী খালীকুজ্জমান আহমদসহ জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, মূল ধারার রাজনৈতিক দলগুলোর নীতি-নির্ধারক এবং নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন ৷ তারা কিয়োটো প্রটোকল অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে ব্যক্ত অঙ্গীকার এর জন্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান ৷
সেমিনারে বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ কোনোভাবেই দায়ী না হলেও এ কারণে দেশের ১৭ শতাংশ এলাকা স্থায়ীভাবে তলিয়ে যেতে পারে৷ কৃষি উত্পাদন ৫০ শতাংশেরও বেশি হ্রাস পেতে পারে৷ এসব কারণে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সহস্রাব্দের উন্নয়ন ল্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনের গতি হ্রাস পাবে ৷ এ অবস্থায় বক্তারা বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য কার্বনজাত গ্যাস নির্গমন এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য এককভাবে দায়ী উন্নত দেশগুলোর প্রতি দাবি জানান ৷
সেমিনার উপলক্ষে কোস্ট এবং EJWG সাধারণ মানুষের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে ৬টি অবস্থানপত্র প্রণয়ন করে ৷ সেমিনারে ইক্যুইটি এ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ এর সদস্য সচিব জনাব মোঃ সামসুদ্দোহা মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ৷ সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহি পরিচালক ও ইকু্যইটি এ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ এর কনভেনর জনাব রেজাউল করিম চৌধুরী
এ বিষয়ে গ্রুপের সহযোগী সংগঠন কোস্ট ট্রাস্ট জলবায়ু পরিবর্তনের উপর ছয়টি অবস্থান পত্র প্রকাশ করেছে ।
( উল্লেখ্য যে এই প্রচারনা পত্র গুলো সাম্প্রতিক তথ্য সহ নতুন সংস্করনে প্রকাশিত হয়েছে )
১ |
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবক: বৈশ্বিক উষ্ণায়নই প্রধান কারণ |
|
২ |
জলবায়ু পরিবর্তন রোধে পদক্ষেপ কিয়োটো প্রোটোকল |
|
৩ |
লবণাক্ততা বৃদ্ধি বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতার অন্তরায় া বৃদ্ধি বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতার অন্তরায় |
|
৪ |
বাংলাদেশের সুন্দরবন : ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততায় এই বিশ্ব-ঐতিহ্য লুপ্তপ্রায় |
|
৫ |
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি: পরিবেশ উদ্বাস্তু বৃদ্ধিতে এক বিরাট হুমকি |
|
৬ |
জলবায়ুর পরিবর্তনে নদীভাঙন |
|
|
বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবসের সেমিনারে বক্তারা |
আমদানী ও বাজার নির্ভরতা নয়, অধিকার ভিত্তিক খাদ্য নিরাপত্তা চাই৷ |

২৫ অক্টোবর '০৭ সকাল ১০.৩০ টায় জাতীয় প্রেসকাবের কনফারেন্স হলে "প্রকৃতি ও অধিকার ভিত্তিক খাদ্য নিরাপত্তা চাই" শীর্ষক এক সেমেনারের আয়োজন করে৷ সেমিনারে বক্তারা আমদানী এবং বাজার নির্ভর খাদ্য নিরাপত্তার পরিবর্তে অধিকার ভিত্তিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রনয়নের আহবান জানান৷
ইকু্যয়িটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ ও বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস উদযাপন কমিটি কতৃক আয়োজিত এ সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় ইকু্যয়িটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের সেক্রেটারী জেনারেল জনাব শামসুদ্দোহা বলেন সাধারণভাবে কোন পরিবারে খাদ্য নিরাপত্তা বলতে বোঝানো হয়: পরিবারের প্রত্যেক সদস্য বয়স, জেন্ডার ও স্বাস্থ্যগত অবস্থা নির্বিশেষে নিয়মিতভাবে পর্যাপ্ত পরিমানে পুষ্টিকর খাদ্য পাবে কিন্তু সবুজ বিপ্লব ও প্রযুক্তি নির্ভর কৃষির মাধ্যমে কৃষি পণ্যের উত্পাদন ব্যপকভাবে বাড়লেও দরিদ্র মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা এখনও নিশ্চিত হয়নি ৷
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. এম এ সাত্তার , বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাটি ও মানুষ প্রোগ্রামের উপস্থাপক জনাব রেজাউল করিম রানা, বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক জনাব শামসুজ্জামান দুদু, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুর রাজ্জাক , সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গনস্বাস্থ্যের জনাব জাফরউল্লাহ চৌধুরী, রুপান্তরের পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকন ও কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক জনাব রেজাউল করিম চৌধুরী৷ স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস উদযাপন জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান স্বপন গুহ এবং মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইকু্যয়িটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য জনাব এএইচএম বজলুর রহমান ৷
ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন : অবস্থানপত্র , পাওয়ার পেয়ন্ট প্রেজেন্টেশন , প্রেস বিজ্ঞপ্তি , প্রকাশিত সংবাদ
বিকালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আলোকচিত্র ও ভিডিও দেখার জন্য ক্লিক করুর:
|
২৫-৩১ অক্টোবর ২০০৭, সপ্তাহব্যাপী
আন্তর্জাতিক গ্রামীন নারী দিবস উদযাপন |
দেশের ৬৪টি জেলার প্রতিনিধিদের " গ্রামীন নারীদের খাদ্য অধিকার"
শীর্ষক ক্যাম্পেইন পরিচালনার ঘোষনা |
 |
ঢাকা ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭। বিশ্ব গ্রামীন নারী দিবস উদযাপন জাতীয় কমিটির উদ্দ্যোগে এ বছর দিবসটি উদযাপনের জন্য জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। রূপান্তরের প্রধান নির্বাহী এবং উদযাপন জাতীয় কমিটির চেয়ারপার্সন জনাব স্বপন গুহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিভিন্ন জেলার এনজিও ও সিভিল সমাজের প্রতিনিধি ও নারী নেত্রীবৃন্দ অংশগ্রহণ করে। নেত্রীবৃন্দ এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়: Right to Food: Rural women produce & provide এর ওপর আলোচনা এবং নিজ নিজ এলাকায় পালনের জন্য সপ্তাহব্যাপী কার্যক্রম ঘোষনা করে। কার্যক্রমসমূহের মধ্যে রয়েছে রালী, বীজ মেলা, বাউল, জারী , কবিগান, গ্রামীন নারীদের সম্মাননা পুরস্কার, আলোচনা সভা ইত্যাদি।
এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়ের সাথে সংগতি রেখে উদযাপন জাতীয় কমিটি ৫টি বিষয় ভিত্তিক প্রকাশনা, লিফলেটও পুস্তিকা প্রকাশ করবে। জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত কার্যক্রম ছাড়াও দিবসটি উদযাপনের জন্য জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে যেমন ২৫ অক্টোবর খাদ্য সর্বভৌমত্বের উপর জাতীয় সেমিনার, বিকেলে জাতীয় শহীদ মিনার চত্বরে বীজ মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ সমস্ত কর্মকান্ড ছাড়াও খাদ্যে গ্রামীন নারী অধিকার সমুন্নত রাখার জন্য কতিপয় সুনিদিষ্ট ইস্যুতে দাবী উত্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। যেমনঃ এমপ্লয়মেণ্ট গ্যারাণ্টি স্কীম চালু এবং এতে ৫০% গ্রামীণ নারীর অর্ন্তভুক্তি, দেশীয় বীজ প্রমোশন এর জন্য বিএডিসির ভূমিকাকে পূর্বের ন্যায় শক্তিশালীকরণ, খসড়া জৈব বিচিত্র সুরক্ষা এক্ট এ কৃষকের অধিকার সংরক্ষন এবং সংবিধানে প্রতেকের জন্য খাদ্য অধিকার বিষয়টি অর্ন্তভূক্ত করা।
উল্লেখ্য ২০০০ সাল হতে বিশ্ব গ্রামীন নারী দিবস উদযাপন জাতীয় কমিটি দিবসটি দেশব্যাপি উদযাপন করে আসছে এবং এবারের উদযাপন কর্মকান্ডে "ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস" ওয়াকিং গ্রুপ সক্রিয় ভাবে জড়িত রয়েছে। |
| |
মাইক্রো-ম্যাক্রো লিংকেজ ও পলিসি এডভোকেসির জন্য ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস
ওয়ার্কিং গ্রুপ (EJWG) গঠিত হয়েছে |
| |
সম্প্রতি এক সভায় ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ (EJWG) নামক এই প্রচারাভিযান আত্মপ্রকাশ করেছে। এই গ্রুপ দেশের ৬৪ জেলায় তৃণমূল পর্যায়ে বৃহত্তর নেটওয়ার্ক গঠনের লক্ষ্যে ২০০৭ সালের শেষ অবধি পর্যন্ত কাজ করবে এবং নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত নীতিমালার খসড়া প্রনয়ন করবে। সকল নীতিমালা, মিশন, ভিশন এবং ত্রিবার্ষিক পরিকল্পনা ৬৪ জেলার প্রতিনিধির সাথে আলোচনা করার পর চূড়ান্ত করা হবে এবং আগামী ডিসেম্বর ২০০৭ এ সভা আহবানের মাধ্যমে এ নেটওয়ার্কের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। এ দলটি মূলতঃ বাংলাদেশের জাতীয় ও তৃণমূল পর্যায়ের এনজিও ও সিভিল সোসাইটিদের নিয়ে একটি নেটওয়ার্ক তৈরীর ব্যাপারে প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে যা বাংলাদেশের ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়া বৈষম্য মূলক ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করবে। শুরুতেই যে খসড়া তৈরী করা হয়েছে তাতে দলের ভিশন হলো বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সমতা এবং ন্যায় বিচার ও মানবাধিকার ও গনতান্ত্রিক মূল্যবোধের উপর বিনির্মিত সমাজ ব্যবস্থা। এই প্রচারাভিযানের মিশন হচ্ছে মাইক্রো-ম্যাক্রো লিংকেজ ও পলিসি এডভোকেসির মাধ্যমে সকল পর্যায়ের ষ্টেকহোল্ডারদের প্রভাবিত করা। এই প্রচারাভিযানের আহব্বায়ক কমিটির সদস্যরা হলেন প্রদীপের সাহাদাত ইসলাম মিন্টু, বিএনএনআরসির এএইচএম বজলুর রহমান, রুপান্তরের রফিকুল ইসলাম, পিআরডিআই এর মোঃ সামসুদ্দোহা এবং কোস্ট ট্রাস্টের আমিনুর রসুল, মোস্তফা কামাল ও রেজাউল করিম চৌধুরী। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত এ গ্রুপ নিম্মোক্ত প্রচারাভিযান চালাবে (১) আইএমএফের সাথে নতুন কোন চুক্তি করা নয় (২) উন্নয়ন ও ঋণগ্রস্থতা (৩) পিআরএসপির ৩ বছরের অর্জন পর্যালোচনা (৪) খাদ্যে অধিকারঃগ্রামীন নারীরাই উৎপাদক ও যোগানদাতা ।
|
| |
| |
|
| নয়া উদারবাদ অর্থনীতি সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদ ও সমকালীন দৃষ্টিভঙ্গি |
|
| . |
 |
|
শর্ত সাপেক্ষ এলসিডিগুলোকে শূল্কমুক্ত সুবিধা দিতে মার্কিন কংগ্রেসে বিল পাস প্রথম আলো, ২৩ অক্টোবর ২০০৭ বিস্তারিত |
বিশ্বব্যাংক এর কাছে এখন কৃষিও গুরুত্ব পাচ্ছে বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০০৮ প্রকাশ : প্রথম আলো, ২২ অক্টোবর ২০০৭ বিস্তারিত |
| |
|
|
|
|