|
| ১৬ মে ২০০৯: বাজেটপূর্ব সেমিনার |
উন্নয়ন দর্শন নির্ধারন ও বাজেট পদ্ধতির আমুল সংস্কার না করলে দারীদ্র দুরীকরন অসম্ভব |
অদ্য ১৬ই মে ২০০৯, শনিবার, সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় ইক্যুযইটি এন্ড জাস্টিস ওয়াকিং গ্রুপ বাংলাদেশ (ইক্যুযইটিবিডি) আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে "বিশ্ব পুঁজিবাদী সংকট থেকে আমাদের শিক্ষা, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পর দিক দর্শন ও বাজেট পদ্ধতির সংস্কার" শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করে৷ জনাব রেজাউল করিম চৌধুরী ও ড. তোফায়েল আহমেদের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমিতির সহ সাধারন সম্পাদক জনাব আসজাদুল কিবরিয়া ও ইক্যুযইটিবিডির গবেষক জনাব ছৈয়দ আমিনুল হক৷ সেমিনারে বক্তারা বলেন উন্নয়ন দর্শন নির্ধারন, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন, বর্তমান কেন্দ্রীভূত ও আমলাতান্ত্রিক বাজেট পদ্ধতির আমুল সংস্কার না করে দেশের দারীদ্র দুরীকরন অসম্ভব৷ বক্তারা বিগত ৩৮ বছরের বাজেট প্রণয়নকে তথা কথিত মুক্ত বাজার অর্থূনীতি ও কেন্দ্রীভূত পরিকল্পনার ব্যর্থতার ইতিহাস হিসেবে বর্ণনা করেন৷
সেমিনারে প্রফেসর ড. আবু আহমেদ বলেন যে সম্পদের সীমাবদ্ধতার কথা মাথায় রেখে ছোট আকারে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি) তৈরী করা উচিত৷ তিনি বলেন যে, বাংলাদেশে প্রতিবছরই বাজেট তৈরীর আগ মুহুর্থে তথা কথিত উন্নয়ন সহযোগী (এডিবি, আইএমএফ, বিশ্ব ব্যাংক) এর প্রতিনিধিদল এসে সরকারকে বিভিন্ন ধরণের পরামর্শ প্রদান করেন যা অনৈতিক৷ তার মতে উক্ত উন্নয়ন সহযোগীরা কোন উন্নয়ন সাহায্য করে না রবং উন্নয়নের নামে একটা সংকট তৈরী করে নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ হাসিল করে ৷
সেমিনারে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা কমিশনের সদ স্য আবদু রাজ্জাক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংসদ জনাব শওকত মোমেন শাহজাহান ও মনোরঞ্জন শীল গোপাল, বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. মাহবুবুর রহমান ও কৃষি সম্পাদক শামসুজ্জামান দুদু, কৃষক নেতা বদরুল আলম ও জায়েদ ইকবাল, নারী নেত্রী শামিমা নাসরিন, শ্রমিক নেতা আবুল হেসেন, বাংলাদেশ উপজেলা পরিষদ এসোসিয়েশনের আহবায়ক জনাব হারুনুর রশিদ, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফোরামের জনাব মাহবুবুর রহমান টুলু ও উপজেলা ভাইস চেয়ারপার্সন ফাতেমা খানম৷ সভায় উপরোক্ত ব্যক্তিগন ছাড়াও শাহাদত ইসলাম চৌধুরী, মোস্তফা কামাল আকন্দ ও মোঃ সামসুদ্দোহা বক্তব্য রাখেন ৷
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের এর অবস্থানপত্র-১ অবস্থানপত্র-২, প্রেস রিলিজ , পাওয়ার পেয়ন্ট প্রেজেন্টেসন ও মিইডয়া কভারেজ এর জন্য ক্লিক করুন
ইন্টারেনট সংবাদ মাধ্যাম:
|
ঢাকা ২৫ এপ্রিল ২০০৯ : জাতীয় 'জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন শীর্ষক সংবাদ সংম্মেলন |
জলবায়ু মোকাবেলা কৌশল স্বচ্ছতা ও অংশ গ্রহণের ভিত্তিতে প্রণয়নের দাবী |
ঢাকা ২৫ এপ্রিল ২০০৯ :
অদ্য সকাল ১১ ঘঠিকায় ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ (ইক্যুইটিবিডি) "রাজনৈতির প্রক্রিয়ার অংশগ্রহণে নতুনভাবে জাতীয় 'জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন: কিছু প্রস্তাবণা" শীর্ষক এক সংবাদ সংম্মেলনের আয়োজন করে৷ সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা গত ১৬ এপ্রিল ২০০৯ সরকারের 'জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা কমিটি গঠন এবং ইতিপূর্বকার প্রণীত কৌশলটির বাতিল ঘোষনাকে স্বাগত জানিয়েছে৷ তারা উক্ত কমিটি থেকে দাতা সংস্থা প্রিয় পরামর্শকদের বাদ এবং কৌশলটি স্বচ্ছ ও অংশ গ্রহণের ভিত্তিতে প্রণয়নের দাবী জানিয়েছেন৷ উল্লেখ্য যে, ইকু্যইটিবিডি বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রণীত উক্ত কৌশল, যা কিনা উঋওউ র পৃষ্ঠপোষকতায় সীমিত অংশ গ্রহণের ভিত্তিতে প্রণীত হয়েছিল তা বাতিলের দাবীতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রচারাভিযান সংগঠিত করেছিল৷ উক্ত সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন রেজাউল করিম চৌধুরী৷ বিবৃতি পাঠ করেন মোঃ সামসুদ্দোহা এবং আলোচনায় অংশ নেন মোস্তফা কামাল আকন্দ ও আতিকুল ইসলাম চৌধুরী৷
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের এর অবস্থানপত্র, প্রেস রিলিজ ও মিইডয়া কভারেজ এর জন্য ক্লিক করুন |
| স্ব-শাসিত উপজেলা পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি |
| 'স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) অধ্যাদেশ, ২০০৮' পুনঃবহাল রাখতে ইক্যুইটিবিডি'র প্রেস বিজ্ঞপ্তি |
৭ এপ্রিল ২০০৯ :
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শাসনামলে জারি করা 'স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) অধ্যাদেশ, ২০০৮' বাতিল করে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের ক্ষমতা সীমিত এবং সাংসদদের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দিয়ে গতকাল ৬ই এপ্রিল ২০০৯ তারিখে জাতীয় সংসদে বহুল আলোচিত উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পূনঃপ্রচলন ও সংশোধন) বিল ২০০৯ সর্বসম্মতভাবে পাশ করেছে৷ ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ (ইক্যুইটিবিডি) মনে করে যে, এ বিল পাশ করার মাধ্যমে সরকার স্থানীয় সরকার কাঠামোকে দুর্বল করার পাশাপাশি গণতন্ত্রীক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় একটি বাধা সৃষ্টি করেছে৷
এই আইনে সাংসদদের উপজেলা পরিষদের উপদেষ্ঠা করা হয়েছে এবং পরিষদ উপদেষ্ঠার রামর্শ গ্রহন করতে বাধ্য৷ এ আইনের ২৫ ধারায় ১ ও ২ উপধারায় উলে-খ করা হয়েছে যে, সাংসদকে না জানিয়ে উপজেলা পরিষদ সরকারের সঙ্গে কোন যোগাযোগ করতে পারবে না ৷ একই সঙ্গে আইনের ২৭ ধারার খ উপধারার ৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে উপজেলা পরিষদের প্রতিটি বৈঠকের পর পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে কার্যবিবরনী স্থানীয় সাংসদদের কাছে পাঠাতে হবে ৷ উপজেলা পরিষদ কোন বিষয়ে সরকারের কাছে চিঠি পাঠাতে চাইলেও সাংসদকে জানিয়ে করতে হবে ৷ এমনকি এ আইনে উপজেলা পরিষদে ১৪টি স্থায়ী কমিটি গঠন করার বিধান রাখা হয়েছে কিন্তু চেয়ারম্যান এ সব কমিটির প্রধান হতে পরবেন না যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তরায় ৷
সুশিল সমাজ মনে করে যে, এ বিলটি পাশ করার মাধ্যমে সরকার স্থানীয় সরকারের একটা বিপর্যয় ডেকে এনেছে৷ এর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদকে দারুনভাবে সাংসদ নির্ভর করা হয়েছে৷ ফলে উপজেলা পরিষদের উপর এখন দুটি সরকার কতৃত্ব করবে৷ একটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তথা সরকারের নির্বাহী বিভাগ, অন্যটি হলো স্থানীয় সাংসদ৷ এই দুই কতৃত্বের অধিনে উপজেলা পরিষদ কতটুকু কাজ করতে পারবে না প্রশ্ন সাপেক্ষ৷ আশংকা করা হচ্ছে যে, এ আইনের মাধ্যমে সাংসদরা তাদের এখতিয়ার বহিভর্ূত কাজ করবেন এবং দেশের সুষম উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করবেন৷ ফলে শুধু উপজেলা পরিষদ নয়, গোটা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাই অকার্যকর হয়ে পড়বে৷ দেশে গণতন্ত্র, সুশাসন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের যে ধারাবাহিকতা তৈরী হয়েছিল এ আইনে তা ব্যাহত হবে৷
দেশে গণতন্ত্র, সুশাসন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের যে ধারাবাহিকতা তৈরী হয়েছিল এ আইনে তা ব্যাহত হবে ৷
ইক্যুইটিবিডি 'স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) অধ্যাদেশ, ২০০৮' এর পূনঃবহালসহ স্থানীয় সাংসদদের প্রভাব মুক্ত স্ব-শাসিত উপজেলা পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রদান করেছে ৷
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের এর প্রেস রিলিজ এর জন্য ক্লিক করুন
|
জাতিসংঘকে ১৯৫১ সালের রিফিউজি কনভেনশনের পুণঃমূল্যায়নের আহবান |
জলবায়ু উদ্বাস্তুদের ইনিভার্সেল ন্যাচারাল পারর্সন হিসেবে অধিকার প্রদানের দাবী |
৪ এপ্রিল ২০০৯ :অদ্য সকাল ১১ ঘঠিকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে ইক্যুইটিবিডি, বাংলাদেশের সুশিল সমাজ ও বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন ফোরাম, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক প্রচারাভিযান শুরু করে৷ এই প্রচারাভিযানের মাধ্যমে জাতিসংঘ সহ সকল বিশ্ব নেতাদের জলবায়ু উদ্বাস্তুদের "ইউনিভার্সেল ন্যাচারাল পারর্সন" হিসেবে অধিকার প্রদানের দাবী করা হয়৷ বক্তারা বলেন যে, ২০০৫ এর বিশ্ব ব্যাংক প্রতিবেদন অনুসারে আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে এ ধরণের ২কোটি ২০ লক্ষ লোক জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে ৷ যেহেতু উন্নত দেশ সমূহ ঐতিহাসিকভাবে গ্রীন হাউস গ্যাস নির্গমনের মাধ্যমে জলবায়ু সমস্যার জন্য দায়ী যে কারণে উদ্বাস্তু সমস্যা তৈরী হচ্ছে সুতরাং তাদেরকেই এই দায়িত্ব নিতে হব । উক্ত সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেণ জনাব রেজাউল করিম চৌধুরী, মূল অবস্থানপত্র উপস্থাপন করেন জনাব সামসুদ্দোহা, এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে ইক্যুইটিবিডি'র সদস্য জনাব সাহাদাত ইসলাম চৌধুরী এবং জনাব মোস্তফা কামাল আখন্দ উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ৷
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের এর অবস্থানপত্র, প্রেস রিলিজ ও মিডিয়া কভারেজ এর জন্য ক্লিক করুন
ইন্টারেনট সংবাদ মাধ্যাম:
 |
|
|
|
| ২০ ফেব্রুয়ারী ২০০৯: জাতীয় প্রেস ক্লাব সংবাদ সেম্মলন |
| শক্তিশালী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন স্থানীয় সরকার কমিশন |
২০ ফেব্রুয়ারী ২০০৯: জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স হলে "স্থানীয় সরকারের ভূমিকা : উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরনে স্থানীয় সরকার ও সংসদ সদস্য" শিরোনামে এক সেমিনারের আয়োজন করা হয় ৷ উক্ত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ইক্যুইটিবিডির সেক্রেটারী জেনারেল মোঃ শামসুদ্দোহা এবং সঞ্চালকের দায়িত পালন করেন একই সংগঠনের সদস্য এ এইচএম বজলুর রহমান ৷ আলোচকেরা বলেন যে, বিগত কেয়ারটেকার সরকারের আমলে প্রনীত ১২২টি অর্ডিন্যান্সের মধ্যে ৫৪টি অর্ডিন্যান্স অনুমোদনের জন্য জাতীয় সংসদে উত্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ৷ কিন্তু দঃখজনকভাবে স্থানীয় সরকার কমিশন প্রতিষ্ঠা বিষয়ক অর্ডিন্যান্সটি সংসদে উত্থাপনের জন্য বিবেচিত হয়নি ৷ স্থানীয় সরকার কমিশন বহাল না রাখা হবে জনমতের প্রতি চরম অবহেলা ও রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দ ও বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের নামান্তর ৷
সেমিনারে উপস্থিত বিশিষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ড. আবু আহমেদ বলেন স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করণে রাজনৈতিক সরকারের হস্থক্ষেপ অবশ্যই কমাতে হবে এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা স্বাধীন এবং গতিশীল না হলে সুষম উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হবে ৷ সুতরাং এ সরকারের উচিত হবে স্থানীয় সরকার কমিশন বহাল এবং এর কার্যকারীতা নিশ্চিত করা৷ ড. সালাউদ্দিন আমিনুজ্জামান বলেন স্থানীয় সরকার কমিশন প্রতিষ্ঠার দাবী দীর্ঘ্ দিনের ৷ শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যতিত উন্নয়ন সুষম এবং স্থায়িত্বশীল হয়েছে এমন নজির পৃথিবীর কোন দেশেই নেই ৷ আমাদের সংবিধানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করণের স্পষ্ট দিক নির্দেশনা থাকলেও রাজনীতিবিদরা বিষয়টি জনমানুষের স্বার্থের দৃষ্টিকোন থেকে বিবেচনা করেননি ৷ সেমিনারে উপস্থিত বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিজভী আহমেদ বলেন স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বহাল রেখে এর বিভিন্ন ধাপ সমূহ বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এমন কি জেলা পরিষদকেও কার্যকর করা এবং এসব প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকান্ড ত্বরাণি্বত করার পাশাপাশি সংসদ সদস্যদেরকে কর্মকান্ড বাস্তবায়ন থেকে দূরে রাখার আহবান জানান ৷
সেমিনারে ১৬টি সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সিভিল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন৷ সংগঠন সমূহ হচ্ছে কোস্ট ট্রাস্ট, রুপান্তার , ইক্যুইটিবিডি, বিএনএনআরসি, প্রদীপ, বরসা, এসডিও, গ্রাম বিকাশ সংস্থা, এ্যাকশান ইন বাংলাদেশ, সাহেব নগর সমাজ কল্যান সংস্থা, ভিডিসি, শিলাইদহ রবীন্দ্র সংসদ, শাপলাফুল, সোস্যাল ডেভেলাপমেন্ট অরগানাইজেশন, রিও এবং প্রত্যাশী ৷
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের এর অবস্থানপত্র, প্রেস রিলিজ ও মিডিয়া কভারেজ এর জন্য ক্লিক করন
|
| ১৫ ই ফেব্রুয়ারী ২০০৯: স্থানীয় সরকার বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন |
নাগরিক সমাজ সংসদ সদস্যদের স্থানীয় সরকার সমূহে হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেছে |
১৫ই ফেব্রুয়ারী ২০০৯: জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে "কথা ও কাজের মিল রাখুন, সামগ্রিক বিকেন্দ্রিকরণের স্বার্থে স্থানীয় সরকার কমিশনকে বহাল ও অধিকতর শক্তিশালী করুন" শিরোনামে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় ৷ উক্ত প্রেস কনফারেন্সে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএনএনআরসি'র প্রধান নির্বাহী জনাব এএইচএম বজলুর রহমান এবং সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক জনাব রেজাউল করিম চৌধুরী ৷ বক্তারা বলেন যে, বিভিন্ন পত্র পত্রিকার সংবাদ থেকে তারা জানতে পেরেছেন যে, বিগত কেয়াটেকার সরকারের আমলে প্রনীত ১২২টি অর্ডিন্যান্সের মধ্যে ৫০টি অর্ডিন্যান্স অনুমোদনের জন্য জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷ কিন্তু দুঃখজনকভাবে স্থানীয় সরকার কমিশন প্রতিষ্ঠা বিষয়ক অর্ডিন্যান্সটি সংসদে উত্থাপনের জন্য বিবেচিত হয়নি৷ স্থানীয় সরকার কমিশন বহাল না রাখা হবে জনমতের প্রতি চরম অবহেলা ও রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দ ও বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের নামান্তর ৷
উপরোক্ত সংবাদ সম্মেলনে ১৬টি সংগঠন সমূহের প্রতিনিধি এবং সিভিল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন৷ সংগঠন সমূহ হচ্ছে কোস্ট ট্রাস্ট, রুপান্তর, ইকু্যইটিবিডি, বিএনএনআরসি, প্রদীপ, বরসা, এসডিও, গ্রাম বিকাশ সংস্থা, এ্যাকশান ইন বাংলাদেশ, সাহেব নগর সমাজ কল্যান সংস্থা, ভিডিসি, শিলাইদহ রবীন্দ্র সংসদ, শাপলাফুল, সোস্যাল ডেভেলাপমেন্ট অরগানাইজেশন, রিও এবং প্রত্যাশী৷ সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন মোঃ শামসুদ্দোহা, মোস্তফা কামাল আকন্দ, সাহাদত ইসলাম চৌধুরী মিন্টু প্রমুখ৷ উল্লেখ্য যে, বক্তারা এ বিষয়ে প্রধান মন্ত্রীসহ সকল সংসদ সদস্যদের স্মরকলিপি প্রদান করবেন বলে জানান ৷
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের এর অবস্থানপত্র, প্রেস রিলিজ ও মিডিয়া কভারেজ , স্থানীয় সরকার পর্যালোচনা কমিটি এর রিপোর্ট ১৯৯২ এবং রিপোর্ট ১৯৯৭
|
০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০০৯ : জাতীয় প্রেসক্লাব কনফারেন্স হলে সংবাদ সম্মেলেন |
বিশ্বব্যাংক - আই.এম.এফ - এর খবরদারিমুক্ত উন্নয়ন পরিকল্পনা চাই |
| ০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০০৯ :
বিশ্বব্যাংক, আই. এম .এফ এবং এ.ডি.বি'র প্রভাবমুক্ত ও গণমূখী উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহনের আহবান জানিয়ে আজ সকাল ১১টা জাতীয় প্রেসক্লাব কনফারেন্স হলে ইক্যুইটিবিডি এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ৷ সম্মেলনে বক্তারা বিশ্বব্যাংক , আই এম এফ এর প্রতি নমনীয়, মুখাপেক্ষি ও লেজুড়বৃত্তি আচরন পরিহার করে দেশের উত্পাদন ও কর্মসংস্থান সৃস্টিতে সহায়ক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহনের জন্য সরকার কে তাগিদ দেন৷ সরকারকে মধ্যমেয়াদী বাজেট কাঠামো তৈরীতে পরামর্শ দিতে বিশ্বব্যংকের প্রতিনিধি দলের ঢাকা আসার প্রাক্কালে ইক্যুইটিবিডি এই সংবাদ সম্মেলনর আয়োজন করে৷ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইকু্যইটি বিডির সদস্য মোস্তফা কামাল আকন্দ, অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইক্যুইটিবিডি সাধারন সম্পাদক মো: শামছুদ্দোহা, সৈয়দ আমিনুল হক, শাহাদাত ইসলাম চৌধুরী মিন্টু ৷
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের এর প্রেস রিলিজ ও মিডিয়া কভারেজ এর জন্য ক্লিক করুন
ইন্টারেনট সংবাদ মাধ্যাম:
|
জলবায়ু তহবিলে বিশ্ব ব্যাংকের সম্পৃক্ততা বিরোধিতা করে ইক্যুইটিবিডি প্রচারাভিযান |
| দেশ বিদেশের ১০০০ স্বাক্ষর সম্পন্ন দরখাস্ত এবং ৩০০০ পোস্ট কার্ড প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দিন আহমদ এবং যুক্তরাজ্য সরকারের মন্ত্রী আলেঙ্জান্ডার ডগলাস এর কাছে প্রেরীত হচ্ছে |
মাল্টি ডোনার ট্রাস্ট ফান্ড তথা বাংলাদেশের জলবায়ু তহবিলে বিশ্ব ব্যাংকের সম্পৃক্ততা বিরোধিতা করে ইক্যুইটিবিডি প্রচারাভিযান সম্পন্ন ৷
ঢাকা ২১ ডিসেম্বর ২০০৮, আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ (ইক্যুইটিবিডি) একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের তিন মাস ব্যাপী একটি প্রচারাভিযানের সমাপণী ঘোষণা করেন৷ উক্ত প্রচারাভিযানের উদ্দেশ্য ছিল মাল্টি ডোনার ট্রাস্ট ফান্ড তথা বাংলাদেশের জলবায়ু তহবিলে বিশ্ব ব্যাংকের সম্পৃক্ততা বিরোধিতা করে জনগনের অভিমতকে নীতি নির্ধারকের নিকট পৌছিয়ে দেয়া৷ সংবাদ সম্মেলনের সঞ্চালক ছিলেন রেজাউল করিম চৌধুরী, পটভূমি উপস্থাপন করেন মোঃ শামছুদ্দোহা, স্বাক্ষর সংগ্রহ এবং পোস্ট কার্ড প্রেরণ প্রক্রিয়া বর্ণনা করেন এএইচএম বজলুর রহমান ও কাজী ফারুক আহমেদ এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মোস্তফা কামাল আকন্দ ৷
প্রচারাভিযানটির প্রাথমিক উদ্যোক্তা ছিল বাংলাদেশের ৩০টি সংগঠন এবং ৩টি এশীয় অঞ্চলের আর্ন্তজাতিক নেটওয়ার্ক৷ প্রচারাভিযানটি শুরু হয় বিগত সেপ্টেম্বর মাসের জলবায়ু পরিবর্তনের উপর লন্ডন সম্মেলনের পর৷ উক্ত সম্মেলনে ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশের জলবায়ু তহবিলে ৬০ মিলিয়ন পাউন্ড ৫ বছরের মধ্যে প্রদানের ঘোষণা দিয়েছিল৷ ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকার উক্ত তহবিলে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা/৪৫ মিলিয়ন পাউন্ড শুধু মাত্র ১ বছরের জন্য এ বছরের বাজেট থেকে প্রদানের ঘোষণা করেন৷ উল্লেখ্য যে, উক্ত সম্মেলনেই বাংলাদেশের বর্তমান অর্থ উপদেষ্টা উক্ত জলবায়ু তহবিলটি পরিচালনার জন্য বিশ্ব ব্যাংকের নাম প্রস্তাব করেন৷ উক্ত সম্মেলনের পরপরই প্রতিবাদ হিসেবে ইকু্যইটিবিডি উপরোক্ত প্রচারাভিযানটি সংগঠিত করে ৷
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের এর প্রেস রিলিজ , পাওয়ার পেয়ন্ট প্রেজেন্টেন্স স্বাক্ষর এর তালিকা এজন্য ক্লিক করুন
ইন্টারেনট সংবাদ মাধ্যাম:
|
| ১৯ নভেম্বর ২০০৮ : জাতীয় প্রেস ক্লাব এ দোহা সম্মেলন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্টিত |
| দোহা জাতিসংঘ উন্নয়ন অর্থ বিষয়ক সম্মেলনে সরকারী অবস্থান জনসম্মুখে প্রকাশ করার দাবী |
অদ্য ১৯ নভেম্বর ২০০৮, সকাল ১০.৩০ ঘঠিকায় জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকায় ইক্যুইটিবিড "উন্নয়ন সহায়তায় দোহা সম্মেলন, বাংলাদেশে দারিদ্রতা পুণরুত্পাদন ও ক্ষতি পূরণ দাবী" শীর্ষক এক সেমিনারের বক্তারা বলেন, আগামী ২৯ নভেম্বর - ২রা ডিসেম্বর ২০০৮ এ অনুষ্টিতব্য জাতিসংঘের উপরোক্ত সম্মেলনে তত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষ হতে কি বক্তব্য রাখা হতে পারে তা জনগনকে জানানোর জন্য দাবী জানানো হয়৷ বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, অর্থ উপদেষ্টা অন্যান্য সম্মেলনের মতো এই সম্মেলনে বিশ্ব ব্যাংক ও এশিয়ান ডেভেলাপমেন্ট ব্যাংক এর পক্ষ হয়ে কোন অবস্থান নেবেন না৷ বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন যে,রাজনীতিবিদ ও আমলাদের অতি দ্রুত বিদেশী সাহায্য এবং ঋণের লোভ থেকে বের হয়ে জাতীয় সম্পদ নির্ভর রাজনৈতিক অর্থনীতি গড়ে তোলা উচিত৷
উক্ত সেমিনার সঞ্চালন করেন ইক্যুইটিবিডর আহবায়ক জনাব রেজাউল করিম চৌধুরী, বক্তব্য রাখেন ড. আবু আহমেদ, সাপ্তাহীকী সম্পাদক জনাব গোলাম মুর্তুজা, বিএসএস সম্পাদক জগলুল আহমেদ চৌধুরী, প্রাক্তন এমপি শহিদুজ্জামান ও সামসুজ্জামান দুদু, প্রাক্তন দুত ওয়ালিয়ুর রহমান, এএইচএম বজলুর রহমান, প্রখ্যাত সাংবাদিক ফারুক আহমেদ ও মোস্তফা কামাল আকন্দ প্রমুখ৷ সেমিনারের মূল প্রবন্ধ " উন্নয়ন অর্থায়নে ২য় বিশ্ব সভাঃ পর্যালোচনা মনটেরে হতে দোহা" উপস্থাপন করেন ইকু্যইবিডি'র সাধারন সম্পাদক মোঃ শামসুদ্দোহা ৷
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের এর প্রেস রিলিজ , পাওয়ার পেয়ন্ট প্রেজেন্টেন্স ও ছেবি এজন্য ক্লিক করুন |
| ১৬ নভেম্বর ২০০৯ : ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটি এর সংবাদ সন্মেলন |
| বাংলাদেশকে সিডরের পূর্ন ক্ষতিপূরন দেওয়ার ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলো তাদের দায়ীত্ব অবহেলা করেছে ৷ |
অদ্য ১৬ই নভেম্বর রবিবার বেলা ১১.০০ ঘটিকায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটি সংবাদ সন্মেলন কেন্দ্রে ইকু্যইটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ (ইকু্যইটিবিডি)'র উদ্যোগে সিডরের এক বত্সর পূর্তি উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়৷ উল্লেখ্য যে, গতকালকে ইকু্যইটিবিডি এতদ উপলক্ষ্যে হাইকোর্টের সামনে একটি মানব বন্ধন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেছিল, পুলিশ এর অনুমতি দেয়নি বলে আজকের এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন৷ সম্মেলনে বক্তারা বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতির সমস্যা কাটানোর উদ্যেশ্যে জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে জি-২০ দেশসমূহকে নিয়ে প্রেসিডেন্ট বুশের গৃহীত পদক্ষেপের সমালোচনা করেন৷ কারন এই জি-৭ এবং জি-২০ দেশসমূহকে নিয়ে মিটিং করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান সমস্যা (যেগুলো ধনী দেশসমূহ বর্তমানে মোকাবলা করছে) কিভাবে কাটিয়ে উঠা যাবে তার উপায় বের করা৷ উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ইক্যুইটিবিডি এর আহবায়ক রেজাউল করিম চৌধুরী , সাধারন সম্পাদক সামসুদ্দোহা, সদস্য এ এইচ এম বজলুর রহমান ্ , শাহাদাত্ ইসলাম মিন্টু এবং জনাব
মোস্তফা কামাল প্রমূখ৷
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের এর প্রেস রিলিজ , অবস্থান প্ত্র ও ছেবি এজন্য ক্লিক করুন
ইন্টারেনট সংবাদ মাধ্যাম:
|
| |
২০০৮ - ২০০৯ অর্থ বছরের প্রাক বাজেট আলোচনা |
| |
আগামী ২০০৮ - ২০০৯ অর্থ বছরের বাজেটকে কার্যকর ও সাধানর জনগনের মতামতকে অন্তর ভুক্ত করার জন্য এন টিভি এর নিয়মিত অয়োজন "আজকের সকাল" এ প্রাক বাজেট আলোচনায় ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ এর বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য ২৬ - ৩০ মে ২০০৮ পর্যন্ত বাজেট এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও মতামত প্রদান করে ।
প্রাক বাজেট এর ধারাবাহিক আলোচনা সমুহ পিডিএফ এ ডাউনলোড করুর :
অংশগ্রহনকারী |
বিষয় |
ডাউনলোড |
|
তোফায়েল আহম্মেদ, সুশাসন বিশেষজ্ঞ
উত্পাদনশীল কৃষি পণ্যের উপর সর্বাধিক ভর্তূকী এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী বৃদ্ধি করা উচিত |
আলোচনা
২৬ মে ২০০৮ |
| |

|
ফারুক আহম্মেদ , প্রেসিডেন্ট মিডিয়া ফাউন্ডেশন এন্ড ট্রেড
খাদ্যে স্বয়ংসম্পুন্নতা অর্জনে কৃষি ভূমি ব্যবহার নীতিমালা তৈরী ও Agro processing plant স্থাপন করা উচিত৷ |
|
|
|
বেগম শামসুন নাহার, জেন্ডার বিশেষজ্ঞ
জনসেবা খাতে বেশী গুরুত্বদিয়ে স্থানীয় পর্যায়ের সরকারী হাসপাতাল সমূহ থেকে সেবার মান নিশ্চিত করতে হবে |
আলোচনা
২৮ মে ২০০৮ |
| |
 |
শারমিন রেশমিন , পরিবেশ উন্নয়ন কর্মী
দুর্যোগ মোকাবেলায় এবারের বাজেটে উপকূলীয় উন্নয়ন নীতিমালা বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত বরাদ্ধ চাই৷ |
আলোচনা
২৯ মে ২০০৮ |
| |
 |
মোস্তফা কামাল আকন্দ ,
পরিবেশ উন্নয়ন কর্মী
বৈদেশিক ঋণমুখী বাজেট না হয়ে রাজস্ব নির্ভর বাজেট চাই ৷ |
আলোচনা
৩০ মে ২০০৮ |
|
২-১৫ ডিসেম্বর ২০০৭ ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্টেয় বালি জলবায়ু সম্মেলন পরবর্তী
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের সংবাদ সম্মেলন
|
জলবায়ুর বানিজ্যিকীকরণ ও উপেক্ষিত স্বল্পোন্নত দেশের ভবিষ্যত |

১৮ ডিসেম্বর ২০০৭ বেলা ১১ টায়
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটি হলরুমে গত ২-১৫ ডিসেম্বর ২০০৭ ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলন পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে ৷ ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেওয়া বালাদেশী সিভিল সোসাইটি পরে বিভিন্ন প্রতিনিধি এ সংবাদ সম্মেলনে তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, বালি সম্মেলনের মাধ্যমে শিল্পোন্নত রাষ্ট্রসমূহ জলবায়ুকে বানিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশের ভবিষ্যত্কে উপেক্ষিত করেছে ৷ সম্মেলনে যোগ দেওয়া বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিবৃন্দ জলবায়ূ পরিবর্তনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ রাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রেক্ষাপঠ তুলে ধরতে পারেনি এবং এ সম্মেলনে জোরালো ভূমিকা রাখার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনে ফলে ক্ষতিপূরণের কোন কমিটমেন্টও আদায় করতে পারেনি ৷
সম্মেলনে যাবার পূর্বক্ষনে কৃষি এবং পরিবেশ উপদেষ্টা সি.এস করিম সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেনযে, সম্মেলনে বাংলাদেশ কর্বন উদগিরনের সমাধান সহ এডাপটেশন ফান্ড এর জন্যে জোড়ালো ভূমিকা রাখবেন ৷ কিন্তু পুরো সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ভূমিকা ছিল হতাশাব্যঞ্জক; যেমন (ক) বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের নেতৃত্বে থাকা স্বত্ত্বেও রহস্যজনক ভাবে তা ১০ তারিখের পর থেকে মালদ্বীপের হাতে চলে যায় ৷ মাননীয় কৃষি ও পরিবেশ উপদেষ্টা সি এস করিম সাহেবের ১১ তারিখ হতে সম্মেলনে উপস্থিত ও বক্তব্য রাখার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি যাননি ৷ (খ) পুরো সম্মেলনের নেগোসিয়েসনে ২-১০ তারিখ পর্যন্ত পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের ভূমিকা থাকলেও ১১ তারিখ থেকে তা জাতিসংঘে আমাদের স্থায়ী প্রতিনিধি ইসমাত জাহানের নেতৃত্বে পরোরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের হাতে চলে যায় ৷ পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের সম্পর্কিত যারা আগে থেকে নেগোসিয়েসনে যুক্ত ছিলেন তারা ১১ তারিখে দেশে ফেরত চলে আসেন ৷ ১১ তারিখের পর যখন ঘোষনা চূড়ান্ত হচ্ছিল তখন তাদের প্রয়োজন ছিল বেশী ৷ ১১ তারিখের পর প্রতিনিধি দলে সরকারী উচ্চ পর্যায়ের কোন পরিবেশবিদ ছিলেন না ৷ (গ) Adaptation fund এর ব্যবস্থাপনায় GEF এবং বিশ্ব ব্যাংক এর ভূমিকা নিয়ে আফ্রিকার অনেক দেশ সমালোচনামূলক বক্তব্য রাখলেও বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ভূমিকা ছিল অনেকটাই নিশ্চুপ ৷
দেশের জনসাধারণ এ বিষয়গুলো জানার দাবি রাখে ৷ বাংলাদেশ একটি জোরালো ভূমিকা রাখার সুযোগ হারালো বৈকি৷ কর্বন উদগিরন কমানোর কথা বললেই যে আমরা সাহায্য থেকে বঞ্চিত হয়ে যাবো এমন কোন কথা নেই ৷ তাছাড়া কাউকে সমালোচনা না করেও কি আমরা আমাদের পাওনাটুকু পেয়েছি? পাইনি, যেমন: সিডরের পর প্রায় ১মাস অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশ তার নু্ন্যতম চাহিদার ২৫% সহায়তা পায়নি ৷ আমেরিকা এবারও বাংলাদেশকে মিলিনিয়াম চ্যালেঞ্জ একাউন্ট সহায়তা থেকে বঞ্চিত রেখেছে ৷ আই এম এফ এর পরামর্শে জনস্বার্থ বিরোধী সংস্কার করার পরও পিআরএস এর আওতায় শেষ কিস্তির টাকা পাওয়া যায়নি ৷ মূলতঃ ঐসকল পরিস্থিতি বাংলাদেশকে এটাই শিখিয়ে দেয় যে আমাদেরকে ন্যায্য অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হতে হবে এবং এজন্য আত্মর্নিভরশীল ও সম্মানজনক পথকে অবলম্বন করতে হবে ৷
বস্তুত বালি ঘোষণায় স্বল্পোন্নত দেশের স্বার্থকে উন্নত ও অগ্রসর উন্নয়নশীল দেশসমূহের কাছে জলাঞ্জলী দেয়া হয়েছে ৷ এ সম্মেলনের প্রাক্কালে কার্বন নি:সরণ হ্রাসে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি সবারই প্রত্যাশিত ছিল ৷ ইউরোপ ও IPCC প্রনেতাদেরও দাবী ছিল কার্বন উদগীরণ আগামী ২০২০ সালের মধ্যে ১৯৯০ এর মাত্রা হতে ২৫-৪০% (সর্বচ্চ ৫০ %) কমানো ৷ কিন্তু সম্মেলনের শুরু হতেই আমেরিকা কোন ধরনের পরিমাপ ভিত্তিক কমিটমেণ্ট করা থেকে বিরত থাকার জন্য যাবতীয় সব জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করে আসছিল ৷ আমেরিকার অন্যতম দাবী ছিল উন্নয়নশীল অগ্রসর দেশ যেমন, ভারত, চীন ও ব্রাজীলকে কার্বন নিঃসরনের বাধ্যতামূলক প্রতিশ্রুতির আওতায় আনতে হবে৷ জাপান ও কানাডা আমেরিকার পক্ষ ধরে গো ধরে বসে থাকে ৷ শেষ পর্যন্ত ইউরোপ যখন বলে বসে যে, তারা জানুয়ারী ২০০৮ এ যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইতে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেণ্ট বুশের 'বিশেষ জলবায়ু সম্মেলনে' যোগ দেবেনা, যদিনা আমেরিকা কোন কমিটমেণ্ট এ না আসে৷ তখন আমেরিকার প্রতিনিধিদল Early Deep Cut এ ধরণের কমিটমেন্ট এ রাজী হয়৷ অর্থাত্ এর ফলে আমেরিকাসহ দেশসমূহ সামনের দিনগুলোতে কার্বন উদগীরন কমাবে ৷ আগামী ২ বছরের মধ্যে তথা কোপেন হেগেন সম্মেলনের মধ্যে পরবর্তী চুক্তি চুড়ান্ত করবে৷ বালি ঘোষনায় উন্নত দেশ কতৃক কার্বন নিঃসরন রোধে পরিমানগত কোন কমিটমেন্ট না থাকায় এটা স্পষ্টতই প্রমাণিত হলো যে, উন্নত দেশ সমূহ তাদের ভোগ ও উন্নয়ন ধারণার সাথে আপোষ করতে নারাজ ৷ এর ফলে IPCC তথা বৈজ্ঞানীদের দেয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী পৃথিবীকে রা করার জন্য শিল্পায়ন পূর্ব ১৯৯০ পর্যায় থেকে পৃথিবীর উঞ্চতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর নীচে রাখার যে প্রত্যয় ছিল তা অনিশ্চিত রয়ে গেলো ৷
সংবাদ সম্মেলনে এ্যাকশন এইড বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি জনাব এ আর আমান Adaptation fund এ বাংলাদেশের জনসংখ্যার কথা বিবেচনায় রেখে মাথাপিছু ক্ষতিপূরণ বরাদ্ধ দেওয়া আহবান জানান এবং বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতির একটা Vulnerability Index করার কথাও বলেন ৷ পাশাপাশি এটাকে প্রতিবছর হালনাগাদ করার কথা বলেন৷ জনাব তানিম আহমেদ বলেন, যেহেতু উন্নয়নশীল বড় বড় দেশের সাথে আমাদের বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল সেজন্য Political Economy এর কথা বিবেচনায় রেখে আমাদেরকে আগে থেকেই দাবী-দাওয়া নিয়ে Negotiation করে নেয়া উচিত ৷ তিনি বলেন বালি সম্মেলনে বাংলাদেশের ক্ষতির প্রেক্ষাপঠ প্রতিদিন বলা উচিত ছিল কিন্তু কেউ কথা বলেননি ৷ যেকানে আজ আমাদেরকে হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে৷ দৈনিক ইনকিলাবের বিশিষ্ঠ সাংবাদিক জনাব সালাহউদ্দিন বাবলু বলেন, বলি সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান ইসমত জাহান এর সাথে আনুষ্ঠানিক কোন ব্রিফিং না দেওয়ার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন ৷ জলবায়ূ পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশে আগামীতে যারা পরিবেশগতভাবে উদ্ভাস্তু হবে তাদেরকে অন্যদেশে বসবাসের ব্যবস্থা করার জন্য দাবী জানান ৷
সংবাদ সম্মেলনে মূল রচনা উপস্থাপন করেন
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ এর সেক্রেটারী জেনারেল জনাব শামসুদ্দোহা এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন একই গ্রুপের আহবায়ক জনাব রেজাউল করিম চৌধুরী৷ অনুষ্টানে অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনাব ফখরুল ফেরদৌস, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী মিন্টু, মোস্তফা কামাল আকন্দ প্রমুখ।
ইক্যুইটি এণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের (EJWG) এ অবস্থানপত্র, প্রেস রিলিজ জন্য ক্লিক করে ডাউনলোড করুর ।
অনলাইন মিডিয়া কভারেজ :
|
২৪ নভেম্বর ২০০৭ :ডিসেম্বরে জলবায়ু পরিবর্তনের উপর বালি সম্মেলনের পূর্বে আপনি সরব হোন |
| ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিতব্য জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ সম্মেলনকে সামনে রেখে সেমিনার
'জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও ক্ষতিপূরণ এবং বাংলাদেশের দেনা বাতল সহ দুই কোটি লোকের ক্ষতিপুরণ দিতে হবে' |

ইক্যুইটি এ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ (EJWG) ও কোস্ট ট্রাস্ট এবং উপকূলীয় অঞ্চলের ৩১টি বেসরকারী সংগঠনের উদ্যোগে গত ২৪ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেস কাবে 'জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও ক্ষতিপূরণ' শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় ৷ সেমিনার আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল আগামী ২-১৪ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত সম্মেলনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ওপর বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং ক্ষতিপূরণের দাবি সম্পর্কে গণসচেতনতা গড়ে তোলা ৷ বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ও জাতিসংঘের আইপিসিসি প্রতিবেদনের অন্যতম প্রণেতা জনাব ড. কাজী খালীকুজ্জমান আহমদসহ জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, মূল ধারার রাজনৈতিক দলগুলোর নীতি-নির্ধারক এবং নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন ৷ তারা কিয়োটো প্রটোকল অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে ব্যক্ত অঙ্গীকার এর জন্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান ৷
সেমিনারে বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ কোনোভাবেই দায়ী না হলেও এ কারণে দেশের ১৭ শতাংশ এলাকা স্থায়ীভাবে তলিয়ে যেতে পারে৷ কৃষি উত্পাদন ৫০ শতাংশেরও বেশি হ্রাস পেতে পারে৷ এসব কারণে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সহস্রাব্দের উন্নয়ন ল্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনের গতি হ্রাস পাবে ৷ এ অবস্থায় বক্তারা বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য কার্বনজাত গ্যাস নির্গমন এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য এককভাবে দায়ী উন্নত দেশগুলোর প্রতি দাবি জানান ৷
সেমিনার উপলক্ষে কোস্ট এবং EJWG সাধারণ মানুষের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে ৬টি অবস্থানপত্র প্রণয়ন করে ৷ সেমিনারে ইক্যুইটি এ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ এর সদস্য সচিব জনাব মোঃ সামসুদ্দোহা মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ৷ সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহি পরিচালক ও ইকু্যইটি এ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ এর কনভেনর জনাব রেজাউল করিম চৌধুরী
এ বিষয়ে গ্রুপের সহযোগী সংগঠন কোস্ট ট্রাস্ট জলবায়ু পরিবর্তনের উপর ছয়টি অবস্থান পত্র প্রকাশ করেছে ।
( উল্লেখ্য যে এই প্রচারনা পত্র গুলো সাম্প্রতিক তথ্য সহ নতুন সংস্করনে প্রকাশিত হয়েছে )
১ |
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবক: বৈশ্বিক উষ্ণায়নই প্রধান কারণ |
|
২ |
জলবায়ু পরিবর্তন রোধে পদক্ষেপ কিয়োটো প্রোটোকল |
|
৩ |
লবণাক্ততা বৃদ্ধি বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতার অন্তরায় া বৃদ্ধি বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতার অন্তরায় |
|
৪ |
বাংলাদেশের সুন্দরবন : ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততায় এই বিশ্ব-ঐতিহ্য লুপ্তপ্রায় |
|
৫ |
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি: পরিবেশ উদ্বাস্তু বৃদ্ধিতে এক বিরাট হুমকি |
|
৬ |
জলবায়ুর পরিবর্তনে নদীভাঙন |
|
|
বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবসের সেমিনারে বক্তারা |
আমদানী ও বাজার নির্ভরতা নয়, অধিকার ভিত্তিক খাদ্য নিরাপত্তা চাই৷ |

২৫ অক্টোবর '০৭ সকাল ১০.৩০ টায় জাতীয় প্রেসকাবের কনফারেন্স হলে "প্রকৃতি ও অধিকার ভিত্তিক খাদ্য নিরাপত্তা চাই" শীর্ষক এক সেমেনারের আয়োজন করে৷ সেমিনারে বক্তারা আমদানী এবং বাজার নির্ভর খাদ্য নিরাপত্তার পরিবর্তে অধিকার ভিত্তিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রনয়নের আহবান জানান৷
ইকু্যয়িটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ ও বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস উদযাপন কমিটি কতৃক আয়োজিত এ সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় ইকু্যয়িটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের সেক্রেটারী জেনারেল জনাব শামসুদ্দোহা বলেন সাধারণভাবে কোন পরিবারে খাদ্য নিরাপত্তা বলতে বোঝানো হয়: পরিবারের প্রত্যেক সদস্য বয়স, জেন্ডার ও স্বাস্থ্যগত অবস্থা নির্বিশেষে নিয়মিতভাবে পর্যাপ্ত পরিমানে পুষ্টিকর খাদ্য পাবে কিন্তু সবুজ বিপ্লব ও প্রযুক্তি নির্ভর কৃষির মাধ্যমে কৃষি পণ্যের উত্পাদন ব্যপকভাবে বাড়লেও দরিদ্র মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা এখনও নিশ্চিত হয়নি ৷
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. এম এ সাত্তার , বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাটি ও মানুষ প্রোগ্রামের উপস্থাপক জনাব রেজাউল করিম রানা, বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক জনাব শামসুজ্জামান দুদু, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুর রাজ্জাক , সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গনস্বাস্থ্যের জনাব জাফরউল্লাহ চৌধুরী, রুপান্তরের পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকন ও কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক জনাব রেজাউল করিম চৌধুরী৷ স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস উদযাপন জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান স্বপন গুহ এবং মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইকু্যয়িটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য জনাব এএইচএম বজলুর রহমান ৷
ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন : অবস্থানপত্র , পাওয়ার পেয়ন্ট প্রেজেন্টেশন , প্রেস বিজ্ঞপ্তি , প্রকাশিত সংবাদ
বিকালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আলোকচিত্র ও ভিডিও দেখার জন্য ক্লিক করুর:
|
২৫-৩১ অক্টোবর ২০০৭, সপ্তাহব্যাপী
আন্তর্জাতিক গ্রামীন নারী দিবস উদযাপন |
দেশের ৬৪টি জেলার প্রতিনিধিদের " গ্রামীন নারীদের খাদ্য অধিকার"
শীর্ষক ক্যাম্পেইন পরিচালনার ঘোষনা |
 |
ঢাকা ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭। বিশ্ব গ্রামীন নারী দিবস উদযাপন জাতীয় কমিটির উদ্দ্যোগে এ বছর দিবসটি উদযাপনের জন্য জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। রূপান্তরের প্রধান নির্বাহী এবং উদযাপন জাতীয় কমিটির চেয়ারপার্সন জনাব স্বপন গুহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিভিন্ন জেলার এনজিও ও সিভিল সমাজের প্রতিনিধি ও নারী নেত্রীবৃন্দ অংশগ্রহণ করে। নেত্রীবৃন্দ এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়: Right to Food: Rural women produce & provide এর ওপর আলোচনা এবং নিজ নিজ এলাকায় পালনের জন্য সপ্তাহব্যাপী কার্যক্রম ঘোষনা করে। কার্যক্রমসমূহের মধ্যে রয়েছে রালী, বীজ মেলা, বাউল, জারী , কবিগান, গ্রামীন নারীদের সম্মাননা পুরস্কার, আলোচনা সভা ইত্যাদি।
এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়ের সাথে সংগতি রেখে উদযাপন জাতীয় কমিটি ৫টি বিষয় ভিত্তিক প্রকাশনা, লিফলেটও পুস্তিকা প্রকাশ করবে। জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত কার্যক্রম ছাড়াও দিবসটি উদযাপনের জন্য জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে যেমন ২৫ অক্টোবর খাদ্য সর্বভৌমত্বের উপর জাতীয় সেমিনার, বিকেলে জাতীয় শহীদ মিনার চত্বরে বীজ মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ সমস্ত কর্মকান্ড ছাড়াও খাদ্যে গ্রামীন নারী অধিকার সমুন্নত রাখার জন্য কতিপয় সুনিদিষ্ট ইস্যুতে দাবী উত্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। যেমনঃ এমপ্লয়মেণ্ট গ্যারাণ্টি স্কীম চালু এবং এতে ৫০% গ্রামীণ নারীর অর্ন্তভুক্তি, দেশীয় বীজ প্রমোশন এর জন্য বিএডিসির ভূমিকাকে পূর্বের ন্যায় শক্তিশালীকরণ, খসড়া জৈব বিচিত্র সুরক্ষা এক্ট এ কৃষকের অধিকার সংরক্ষন এবং সংবিধানে প্রতেকের জন্য খাদ্য অধিকার বিষয়টি অর্ন্তভূক্ত করা।
উল্লেখ্য ২০০০ সাল হতে বিশ্ব গ্রামীন নারী দিবস উদযাপন জাতীয় কমিটি দিবসটি দেশব্যাপি উদযাপন করে আসছে এবং এবারের উদযাপন কর্মকান্ডে "ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস" ওয়াকিং গ্রুপ সক্রিয় ভাবে জড়িত রয়েছে। |
| |
মাইক্রো-ম্যাক্রো লিংকেজ ও পলিসি এডভোকেসির জন্য ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস
ওয়ার্কিং গ্রুপ (EJWG) গঠিত হয়েছে |
| |
সম্প্রতি এক সভায় ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ (EJWG) নামক এই প্রচারাভিযান আত্মপ্রকাশ করেছে। এই গ্রুপ দেশের ৬৪ জেলায় তৃণমূল পর্যায়ে বৃহত্তর নেটওয়ার্ক গঠনের লক্ষ্যে ২০০৭ সালের শেষ অবধি পর্যন্ত কাজ করবে এবং নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত নীতিমালার খসড়া প্রনয়ন করবে। সকল নীতিমালা, মিশন, ভিশন এবং ত্রিবার্ষিক পরিকল্পনা ৬৪ জেলার প্রতিনিধির সাথে আলোচনা করার পর চূড়ান্ত করা হবে এবং আগামী ডিসেম্বর ২০০৭ এ সভা আহবানের মাধ্যমে এ নেটওয়ার্কের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। এ দলটি মূলতঃ বাংলাদেশের জাতীয় ও তৃণমূল পর্যায়ের এনজিও ও সিভিল সোসাইটিদের নিয়ে একটি নেটওয়ার্ক তৈরীর ব্যাপারে প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে যা বাংলাদেশের ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়া বৈষম্য মূলক ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করবে। শুরুতেই যে খসড়া তৈরী করা হয়েছে তাতে দলের ভিশন হলো বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সমতা এবং ন্যায় বিচার ও মানবাধিকার ও গনতান্ত্রিক মূল্যবোধের উপর বিনির্মিত সমাজ ব্যবস্থা। এই প্রচারাভিযানের মিশন হচ্ছে মাইক্রো-ম্যাক্রো লিংকেজ ও পলিসি এডভোকেসির মাধ্যমে সকল পর্যায়ের ষ্টেকহোল্ডারদের প্রভাবিত করা। এই প্রচারাভিযানের আহব্বায়ক কমিটির সদস্যরা হলেন প্রদীপের সাহাদাত ইসলাম মিন্টু, বিএনএনআরসির এএইচএম বজলুর রহমান, রুপান্তরের রফিকুল ইসলাম, পিআরডিআই এর মোঃ সামসুদ্দোহা এবং কোস্ট ট্রাস্টের আমিনুর রসুল, মোস্তফা কামাল ও রেজাউল করিম চৌধুরী। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত এ গ্রুপ নিম্মোক্ত প্রচারাভিযান চালাবে (১) আইএমএফের সাথে নতুন কোন চুক্তি করা নয় (২) উন্নয়ন ও ঋণগ্রস্থতা (৩) পিআরএসপির ৩ বছরের অর্জন পর্যালোচনা (৪) খাদ্যে অধিকারঃগ্রামীন নারীরাই উৎপাদক ও যোগানদাতা ।
|
| |
| |
|
| নয়া উদারবাদ অর্থনীতি সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদ ও সমকালীন দৃষ্টিভঙ্গি |
|
| . |
 |
|
পরিবেশ উদ্বাস্তুদের বস্তি কুতুবিদয়ায় ৪২ হাজার মানুষের মানেবতর জীবন
দৈনিক আমারদেশ ২০ মে ২০০৯
বিস্তারিত |
| |
শর্ত সাপেক্ষ এলসিডিগুলোকে শূল্কমুক্ত সুবিধা দিতে মার্কিন কংগ্রেসে বিল পাস প্রথম আলো, ২৩ অক্টোবর ২০০৭ বিস্তারিত |
বিশ্বব্যাংক এর কাছে এখন কৃষিও গুরুত্ব পাচ্ছে বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০০৮ প্রকাশ : প্রথম আলো, ২২ অক্টোবর ২০০৭ বিস্তারিত |
| |
|
|
|
|